২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

কূপের মাঝে পাওয়া নীলকান্তমণির দাম ৮৪৬ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শ্রীলঙ্কার এক রত্ন ব্যবসায়ী ঘটনাক্রমে বাড়ির পেছনে খুঁজে পেয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টার সাপিয়ের ক্লাস্টার বা নীলকান্তমণিগুচ্ছ, যা নীলা নামেও পরিচিত।

রত্মপুরার ওই ব্যবসায়ীর বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, কূপ খনন করতে গিয়ে শ্রমিকেরা পাথরটির হদিশ পান।

আন্তর্জাতিক বাজারে পাথরে থাকা নীলার দাম ১০ কোটি ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৪৬ কোটি টাকারও বেশি উঠতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাথরটি ওজন ৫১০ কেজি বা ২৫ লাখ ক্যারাট। যার নামকরণ হয়েছে ‘সেরেন্ডিপিটি’ নীলকান্তমণি।

পাথরটির মালিক জানান, খননকর্মীরা বিরল একটি পাথর নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। এরপর তারা এর খোঁজ পান।

তবে নিরাপত্তার কারণে স্থানের পুরো নাম জানাননি। পাথরটি পাওয়ার পর পরিষ্কারের জন্য এক বছরের বেশি সময় নেন ওই ব্যবসায়ী। ওই সময় পাথর থেকে কিছু নীলা ঝরে পড়ে, যা দেখে উচ্চমান সম্পর্কে নিশ্চিত হন তিনি।

শ্রীলঙ্কার রত্ন পাথরের রাজধানী হিসেবে খ্যাত রত্নপুরা। এখানে অতীতে অনেক মূল্যবান পাথর পাওয়া গেছে।

নীলা ও অন্যান্য মূল্যবান রত্নপাথর রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে প্রথমদিকেই রয়েছে শ্রীলঙ্কার নাম। গত বছর রত্ন ও অলংকার বিক্রি করে দেশটি আয় করে ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বড় নমুনা এর আগে দেখা যায়নি। ৪০ কোটি বছর ধরে পাথরটি তৈরি হতে পারে।

তবে পাথরটিতে উচ্চমানের একাধিক নীলা থাকলেও সবগুলোর মান একই নাও হতে পারে।

করোনার কারণে শ্রীলঙ্কার রত্নশিল্প যখন ভুগছে, তখন একই পাথরের আবিষ্কার দেশটির জন্য খুবই খুশির খবর। আশা করা হচ্ছে ‘সেরেন্ডিপিটি’র কারণে নতুন করে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞরা আকর্ষিত হবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি