১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

কুষ্টিয়া ইবি থানার ঝাউদিয়া শাহী মসজিদে মানতের মাংস ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহত -১ আটক-৩।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সুমাইয়া আক্তার শিখা স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

 

কুষ্টিয়ায় ইবি থানার ঝাউদিয়া শাহী মসজিদের মানতের মাংস ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কবির খান (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন।

 

(৪আগস্ট ) শনিবার দুপুর ২ টার দিকে সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের ঝাউদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত কবির খান কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের ঝাউদিয়া শাহী মসজিদপাড়া এলাকার মৃত মান্নান খানের ছেলে।

 

কয়েক সপ্তাহ ধরে মসজিদের মানতের মাংস ভাগাভাগি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এদিকে জানা গেছে আজ ঝাউদিয়া শাহী মসজিদে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকা থেকে কয়েকজন আসে তারা মানত হিসেবে মসজিদে একটি খাসি প্রদান করেন।

 

সেই খাসির মাংস ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে আসাদ চৌধুরী ও মুরাদ চৌধুরী দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

ইবি ওসি মুস্তাফিজুর রহমান রতন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনা স্থল থেকে পুলিশ তিন জনকে আটক করে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি