১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

কুলাউড়া শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের ভূমি পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মো: রেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

 

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত “উপজেলা পর্যায়ে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণ” শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত ভূমি পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক, মীর নাহিদ আহসান (৭ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার পরিদর্শন করেন।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন – মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মহোদয় জনাব মোহাম্মদ জাকারিয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কুলাউড়া এ টি এম ফরহাদ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কুলাউড়া জনাব সজল মোল্লা, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর জনাব অর্নব মালাকার, কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব বিনয় ভূষণ রায়। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মহোদয় ও পুলিশ সুপার মহোদয় প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

কুলাউড়া সংসদীয় আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদ, কুলাউড়া, সম্মানিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কুলাউড়ার খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের প্রতিনিধি উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা।

 

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণের মতামত ও লুয়াইউনি- হলিছড়া চা বাগান কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের জালালাবাদ মৌজার ১৬২৮ নং খতিয়ানের ৪২২/৫০১ নং দাগের ৩.০০ একর ভূমি রেকর্ডিয় শ্রেণি খেলার মাঠ এবং ১৬৩১ নং খতিয়ানের ৪২২/৫০১ নং দাগের ০.৬০ একর ভূমি রেকর্ডিয় শ্রেণি খেলার মাঠ সর্বমোট ৩.৬০ একর ভূমিতে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে।

 

স্থানীয়ভাবে উক্ত জায়গাটি মানিক বাবুর খেলার মাঠ নামে পরিচিত যা লুয়াইউনি-হলিছড়া চা বাগানের লীজডিড ভূক্ত ভূমি।

 

আধুনিক যোগাযোগ সুবিধা সম্বলিত উক্ত স্থানে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে, উপজেলার খেলোয়াড়দের বছরব্যাপী খেলাধুলা করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি হবে। যারা ভবিষ্যতে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি