১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মো: রেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

 

কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির গুরুত্বপূর্ণ মাসিক সভা ৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টায় সমিতির অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম অাতিকুর রহমান অাখই এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি হাজি রফিক মিয়া ফাতু, সহ সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জায়েদ, এম,ফয়েজ উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ হাফিজ বদরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ কুতুবউদ্দিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এইচ ডি রুবেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সুফিয়া রহমান ইতি,ক্রীড়া সম্পাদক সাইফুর রহমান অাফজল, ওয়ার্ড সম্পাদক অাঅাব্দুল্লাহ অাল মনি, মোঃ গৌচ মিয়া,অাব্দুল মতলিব,অশোক চন্দ্র, ওয়ার্ড সদস্য এনামুল হক,রিংকু বর্ধন, সাব্বির চৌধুরী, অাব্দুল মন্নান, হায়দর অালী, মারুফ অাহমদ জালাল প্রমুখ।

সভায় কোষাধ্যক্ষ হাফিজ বদরুল ইসলাম গত ডিসেম্বর ২০২০ হইতে অাগষ্ট ২০২১ ইং পর্যন্ত যাবতীয় অায় ব্যায়ের হিসাব উপস্থাপন করলে তা পর্যালোচনা করে সর্ব সম্মতিতে অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া রাত্রিকালিন সময়ে দোকান বন্ধ করে যাওয়ার সময় বাহিরের লাইট জালিয়ে যাওয়ার জন্য সকল ব্যবসায়ীদের প্রতি অাহবান জানানো হয়।

সভা শেষে কুলাউড়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রউফ উর রাজা এর পক্ষ থেকে নৈশপ্রহরীদের মধ্যে নতুন টচ লাইট বিতরণ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি