২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

কুলাউড়ায় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে উনিশ হাজার টাকা জরিমানা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মো: রেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

 

 

মৌলভীবাজার জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন এর নেতৃত্বে ও কুলাউড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) কুলাউড়া উপজেলার রবিরবাজার ও কুলাউড়া রোডসহ বিভিন্ন জায়গায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর প্রতিষ্ঠান, মাছ মাংসের দোকান, ফার্মেসী দোকানসহ অন্যান্য দোকানে মনিটরিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

 

তদারকি অভিযানে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য সংরক্ষণ ও তৈরি করা, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রয় করা, রাস্তার পাশে অস্বাস্থ্যকরভাবে খোলা অবস্থায় রেখে খাদ্য পণ্য বিক্রয় করা, পোড়া তেল ব্যবহার করে খাদ্য পণ্য তৈরি করা, আয়োডিন বিহীন খোলা লবণ ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রবিরবাজারের মেসার্স সজল মিষ্টি ঘরকে ৫ হাজার টাকা, ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে ৫ হাজার টাকা, জালালাবাদ হোটেলকে ৫ হাজার টাকা ও মেসার্স লেমন ফার্মেসীকে ৪ হাজার টাকাসহ ৪টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়।

 

সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন জানান, অভিযানকালে রবিরবাজারের ভেতরের সবজি বাজার ও মাছ বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনাকালে মূল্য তালিকা এবং সঠিক ওজনে পণ্য দ্রব্য বিক্রয়ে ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেয়া হয়।

 

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ন্যায্য মূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষে এবং ভোক্তা অধিকার আইন বাস্তবায়নে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি