১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

কুলাউড়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ: প্রবাসী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ষকুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ঃঃ

কুলাউড়ার ভাটেরা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি প্রবাসী পরিবার।

 

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুলাউড়ার একটি আভিজাত্য রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিলেট নগরের শিবগঞ্জ সোনাপাড়া নবারুন এলাকায় চেয়ারম্যান প্রবাসীর রাস্তা দেখিয়ে ও জায়গা দখল করে বহুতল ভবন করেছেন বলে অভিযোগ করেন ওই এলাকার ২ নম্বর বাড়ির মালিক, ফিনল্যান্ড প্রবাসী সাজ্জাদুর রহমান মুন্না। প্রবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন তার বড় ভাই বেলাল আহমেদ জালাল ।

 

তিনি বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান একেএম সৈয়দ নজরুল ইসলাম আমাদের দুটি দাগ থেকে ২৮ পয়েন্ট ও ৫৮ পয়েন্ট রাস্তার জায়গা উনার নির্মাধীন ভবনে ডুকিয়ে ফ্ল্যাট বিক্রি করছেন।

 

কুলাউড়ার চকেরগ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী মুন্নার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, তিনি ২০১৭ সালে সোনারপাড়া নবারুন ২ নম্বার বাসাটি ক্রয় করেন । অধিকাংশ সময় প্রবাসে থাকার সুযোগে উনার মালিকানা রাস্তা ব্যবহার করে পাশে জমির উপর ৬ তলা ভবন নির্মাণ করছেন ইউপি চেয়ারম্যান । কৌশলে সিটি করপোরেশন থেকে ভবন নির্মানের অনুমতি নিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, ভবন নির্মার্ণে নিষেধ করলেও চেয়ারম্যান তা উপেক্ষা করে কাজ অব্যাহত রেখেছেন,যা এখন সমাপ্তির পথে। আমি রাস্তা ও ড্রেনের কাজ করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তা ভেঙ্গে জোরপূর্বক মাঠি দিয়ে ভরাট করে এমনকি তারা আমার উপর হামলা চালায়। আমার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শাহপরান থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরসহ অন্যান্যরা একাধিকবার বৈঠক করলে রাস্তা ও জায়গা দখলের বিষয়টির সত্যতা পান বিচারকরা। তবে কারো রাস্তা আলাদা করা কিংবা ভবন ভাঙ্গার বিষয়টি তাদের এখতিয়ারে নেই বলে জানান তারা।

 

ইউপি চেয়ারম্যানের এ কর্মকান্ডের কারণে বার বার ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে উল্লেখ করে সাজ্জাদুর রহমান মুন্না বলেন, আমরা প্রবাসে হাড়ভাঙা কষ্ট করে দেশে রেমিটেন্স পাঠাই , সেই কষ্টের টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করার পর জোর পূর্বক সেই জায়গা দখল করে একজন চেয়ারম্যান যদি দালান নির্মাণ করে । তাহলে কার কাছে আমরা ন্যায় বিচার পাব । এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন ও নিজের রাস্তাটি উদ্দ্বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় এমপি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

এ ব্যাপারে ভাটেরা ইউপি চেয়ারম্যান একেএম সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বিষটি সম্পুর্ণ ভুয়া আমার রেপুটেশন খারাপ করার জন্য কিছু মহলের ইন্দনে সে এসব করছে । এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতির নেতৃত্বে বৈঠক হলেও বিচারকদের রায় মানেনি। তার মুল উদ্দেশ্য আমার কাছে তার জায়গা উচ্চ দামে বিক্রি করা ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি