১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

কুমিল্লায় ভাসুর পিটিয়েছে  প্রবাসী ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রবিউল হোসাইন সবুজ,কুমিল্লাঃ

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার উত্তর ভোলইন ইউপির ধাপাড় গ্রামে বুধবার দুপুরে ওসমান গণি বাড়ীতে পারিবারিক সম্পত্তির জের ধরে ভাসুর পিটিয়েছে প্রবাসী ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে। এ নিয়ে এলাকার জনমনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

স্থাণীয় লোকজন জানায়, ওইগ্রামের মৃত ওসমান গণির ৪ ছেলের মধ্যে পারিবারিক সম্পত্তি ঘিরে দীর্ঘদিন উভয়ের মাঝে ঝগড়া- বিবাদ, হামলা-মামলা লেগেই আছে। সর্বশেষ লালমাই উপজেলার ধাপাড় মৌজায় জেএল নং-১৩ এর ৯৮ নং খতিয়ানভুক্ত ১০৮ দাগে ৩২ শতক অন্দরে ১৪ শতক ভূমি নিয়ে বড় ভাই ছায়েদ আলী গংদের সাথে প্রবাসী ছোট ভাই মনির হোসেন গংদের সাথে দীর্ঘদিন আভ্যন্তরিন নানাহ কোন্দল চলে আসছে। বুধবার দুপুরে প্রবাসী মনিরের ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে বাঁশমুড়ায় জোরপূর্বক বড় ভাই ছায়েদ আলী বাঁশ কাটা শুরু করলে খবর পেয়ে প্রবাসী মনিরের স্ত্রী লাকী আক্তার বাঁশকাটা নিয়ে ভাসুর ছায়েদ আলীকে জিজ্ঞাসা করার তর্ক-বির্তকের এক পর্যায়ে পাশে অবস্থান করা বড়জ¦াল মাসুমা আক্তার এবং দুই পুত্রবধু পারুল বেগম ও বিনা আক্তারসহ ভাসুর ছায়েদ আলী লাকী বেগমের উপর চড়াও হয়। গৃহবধু লাকীকে একা পেয়ে তারা বেদম কিল, ঘুষিসহ এলোপাথাড়ি মারধর করতে থাকে এবং ভাসুর ছায়েদ আলী বাঁশ কাটা দা দিয়ে লাকীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপ দেয়। প্রবাসীর স্ত্রীর লাকী চিৎকারে আশে পাশের লোকজন ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাৎক্ষনিক লাকী বেগমকে লাকসাম সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ব্যাপারে লালমাই থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

লাকসাম সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসারত গুরুতর আহত প্রবাসী মনিরের স্ত্রী লাকী আক্তার জানায়, আমাদের দখলীয় সম্পত্তির বাঁশ মুড়ার বাঁশ আমার ভাসুর ছায়েদ আলী কাউকে না জানিয়ে জোর পূর্বক বাঁশ কাটতে থাকায়, আমি খবর পেয়ে দৌড়ে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করতেই আমার ভাসুর আমার উপর চড়াও হয় এবং আমার বড় জ¦াল ও তার ২ পুত্রবধু মিলে আমাকে এলোপাথাড়ি মারধর করতে থাকে এবং আমার পুরো শরীরে কিল, ঘুষি লাথিসহ বাঁশ কাটা দা দিয়ে শরীরের ৪টি স্থানে কুপিয়ে জখম করে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সফিকুর রহমান জানায়, ওই বাড়ীর নানান বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ দীর্ঘদিনের। বাঁশ কাটা নিয়ে বুধবারের ঘটনার কথা শুনেছি। আমি তাদেরকে শান্ত থাকতে এবং আহত প্রবাসী মনিরের স্ত্রী চিকিৎসাসহ আইনী সহায়তা নিতে পরামর্শ দেই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি