২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

কালিয়ায় ইউপি নির্বাচনে যাচাই বাছাই সম্পন্ন ১২ তারিখে প্রতীক বরাদ্দ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ হাচিবুর রহমান,নড়াইলপ্রতিনিধি।

 

আগামী ২৮ তারিখে তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নড়াইলের কালিয়ায় ১২ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ পদের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। ৪ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নীর অফিসারগণ যাচাই বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রেরণ করেন। এ সময় প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ পদের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। রিটার্নিং অফিসার হিসাবে চাঁচুড়ী ও মাউলী ইউপির দায়িত্বে আছেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার বিশ্বাস সুজন কুমার, বাবরা হাচলা ও পুরুলিয়া খাশিয়াল ও জয়নগর ইউপিতে উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কবির উদ্দিন আহমেদ, খাশিয়াল ও জয়নগর ইউপিতে উপজেলা কৃষি অফিসার সুবির কুমার বিশ্বাস, বাঐসোনা ও কলাবাড়ীয়ায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার গাজী বশির আহমেদ, হামিদপুর ও বড়নাল ইলিয়াছাবাদে উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার দাস, এবং সালামাবাদ ও পহরডাঙ্গায় উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের খালিদ আহমেদ উসমানী। রিটার্নিং অফিসারেরা জানান, যে সকল মনোনয়নপত্র জমা হয়েছিল যাচাই বাছাই শেষেকোন অভিযোগ না পাওয়ায় সকলকেই প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাচন অফিসার বিশ্বাস সুজন কুমার জানান, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে নৌকায় ১২ জন, ইসলামী আন্দোলন ০৬ জন এবং ২৭জন স্বতন্ত্রসহ মোট ৪৫জন, সংরক্ষিত ১১৯ জন এবং সাধারণ পদে ৩৮৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কালিয়া উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নে মোট ভোটর সংখ্য ১,৫৮,৭৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮১,১১০ জন এবং মহিলা ৭৭৬২৩ জন। ২৮ নভেম্বর একটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করে তিনি প্রশাসন ও সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান এবং প্রার্থীদের নির্বাচনী বিধি পালনের আদেশ দেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।