১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

কাঠের মই বেয়ে উঠতে হয় কোটি টাকার ব্রিজে ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লংগদু প্রতিনিধি আরাফাত হোসেন বেলাল।

 

দীর্ঘ ৯ বছরেও ব্রিজের দুইপাশে নির্মিত হয়নি সংযোগ সড়ক। ব্রিজটি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলেও নেই সংযোগ সড়কের মাটি। এ কারনে কাঠের মই বেয়ে ওঠানামা করতে হয় ব্রিজে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের।

সংযোগ সড়কবিহীন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ব্রিজ রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ১ নম্বর আটারকছড়া ইউনিয়ন ও মিজান মুন্সির বাড়ির সামনের মাইনী নদীর উপর নির্মিত। ব্রিজটির দুই পাশে ৫০টি পরিবারের বসবাস। সংযোগ সড়ক না থাকায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে ৮-৯ ফুট উঁচু কাঠের মই বেয়ে ব্রিজ পারাপার হচ্ছে এসব পরিবারের সদস্যরা। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে নারী ও শিশুরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সারাবছর কাঠের মই বেয়েই মাথায় বা কাঁধে মালামাল বহন করে ব্রিজ পারাপার হতে হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে মাইনী নদীতে পানি বাড়ার কারণে ব্রিজটি ব্যবহার করা যায় না। তখন নৌকায় চলাচল করতে হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,২০১২-১৩ অর্থবছরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় ব্রিজটি। এরপর ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রিজের দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এর সুফল পাচ্ছে না আশপাশের মানুষ।

১ নম্বর আটারকছড়া ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুর রহমান জানান,ব্রিজটির দুই পাশে দ্রæত সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বরাবর বারবার আবেদন করা হয়েছে।

ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা জানান,ব্রিজটি রাঙামাটি জেলা পরিষদ নির্মাণ করেছে। সংযোগ সড়ক নির্মাণের দায়িত্বও তাদেরই। তবে বর্তমানে বরাদ্দ না থাকায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি জেলা পরিষদের নজরে দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি