১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

কাটিপাড়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি গৃহকর্তাকে বেঁধে রেখে দুই লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করেছে ডাকাতদল ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাকেশ সরকার পাইকগাছা খুলনা থেকে।

 

পাইকগাছার রাড়ুলী ইউনিয়নের কাটিপাড়ায় গতকাল ২৬ শে আগষ্ট বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুর্দর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ভূক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে গত রাতে আনুমানিক মানিক ১২ টার দিকে কুমার দাশের (৬৫) পিতা মৃত্যু হরিপদ দাশের বাড়ির পিছনের জানালার লোহার রড ভেঙে ডাকাত দল ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে এবং ঘরে থাকা কুমার দাশ ও স্ত্রীকে ও পুত্র নয়ন ( ১৪) কে রশি দিয়ে বেঁধে জানে মরার হুমকি দিয়ে ঘরে থাকা মালামাল লুঠ করে ডাকাত দল।

 

এ সময় কুমার দাশের বাড়িতে ব্যবহারিত তিনটি মোবাইল কেড়ে নেয় এবং কুমার দাশের স্ত্রীর কাছে থাকা স্বর্ণের দুল ও নগত পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে নেয় ডাকাত দল, এছাড়া কুমার দাশের প্রতিবেশি অমিত দাশ (৬৪)পিতাঃ সুধীর দাশের বাড়িতে গত দুই বছর পূর্বে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল তার ফলে পাশের বাড়িতে কুমারের বাড়িতে রেখে যায় তার মূল্যবাান জিনিসপত্র যার আনুমানিক মূল্য এক লক্ষ সত্তর হাজার টাকা।

 

অমিত দাশের মূল ব্যবসা গার্মেন্টস তিনি রাড়ুলী ইউনিয়ন সাবেক ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য অনিমেষ দাশের বাবা, তার ব্যবসায়িক মালামাল শাড়ী যার মূল্য এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা পিতল কাঁশার থালা বাসন ও রুপার তৈরী অলংকার কুমার দাশের বাড়ির দ্বিতলয় বাক্সর মধ্যে তালাবন্ধ অবস্থায় মজুত রেখেছিলেন, সেই সকল মালামাল ডাকাত দল লুট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

ভুক্তভোগী পরিবার জানান গভীর বাগানের মধ্যে বাড়ি হওয়ার কারণে, কাটিপাড়ার মানুষ আমরা সবসময় ভীতিকর অবস্থায় জীবন যাপন করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় আমাদের এবং প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছে ভূক্তভোগীরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি