১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

কাজিপুরে ৭৭১৮ জন গনটিকার ২য় ডোজ পেলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃজহুরুল ইসলা বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে করোনার গণটিকাদান কর্মসূচির দ্বিতীয় ডোজের প্রথম দিন আজ থেকে শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় দেশব্যাপী একযোগে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম চলেছে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

 

টিকা গ্রহণকারীরা প্রথম ডোজ যে কেন্দ্রে নিয়েছেন দ্বিতীয় ডোজও সেই একই কেন্দ্রে নিতে হচ্ছে।

 

উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওর্য়াডে র ১টিপৌরসভাসহ প্রত্যন্ত চর অঞ্চলে আগের কেন্দ্রগুলোতেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা পাচ্ছে মানুষ।

 

 

বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরুর আগেই টিকা প্রত্যাশীদের ভিড় জমাতে দেখা যায় । সকাল ৯টার মধ্যেই অনেক কেন্দ্রে দীর্ঘ সারি দেখা যায়।যারা প্রবীণ ও শারীরিকভাবে অসুস্থ—এমন লোকজনকে টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে নারী ও পুরুষকে পর্যায়ক্রমে টিকার জন্য কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকানো হয়।

 

যারা একবার টিকা নিয়েছেন তারই শুধু আজ টিকা পাবেন। আগে থেকেই বিষয়টি প্রচারনা করায় প্রথম ডোজ প্রদান সুন্দর ভাবে সম্পর্ন হয়েছে।উপজেলার পৌরসভা, কাজিপুর সদর ইউনিয়ন, চালিতাডাংগা ও সোনামুখি ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃকর্মকর্তা ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুল।এ সময় সঙ্গে ছিলেন আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার দেবব্রত রায়,স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন,পৌরসভার একটি কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন কাজিপুর পৌর মেয়র আব্দুল হান্নান তালুকদার। ডাক্তার মোমেনা পারভীন পারুল বলেন, যে কাজিপুরে কোভিড টিকা কার্যক্রমে ১ম ডোজ ৩৪৭৩৬ জন কে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। এদেরকে পর্যায়ক্রমে ২য় ডোজ দেওয়া হবে। গনটিকা কার্যক্রমে কাজিপুরে লক্ষ্যমাএা ছিল ৮৯৬৪ জন ২য় ডোজ এবং আজকে দেওয়া হয়েছে ৭৭১৮ জন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি