১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

করোনায় মৃত্যুবরনকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ধনঞ্জয়ের পরিবারের পাশে জগন্নাথ হল আ্যলামনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রিয়া।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা,খুলনা ঃ

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মুত্যুবরণকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ধনঞ্জয়ের পরিবারকে স্বাবলম্বী করার জন্য সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল অ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রিলিয়া। কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাসের প্রচেষ্টায় ধনঞ্জয়ের অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে এ সহযোগীতা করেছেন উক্ত সংগঠন।

জানা গেছে সম্প্রতি মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ধনঞ্জয় মন্ডল। এতে করে তার পিতা-মাতা সহ স্ত্রী সাগরীকা ৫ মাসের একমাত্র সন্তান ধ্রুবজয়কে নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। বিষয়টি জানতে পেরে কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস জগন্নাথ হল অ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রিলিয়ার মাধ্যমে ধনঞ্জয়ের পরিবারকে স্বাবলম্বী করার জন্য ২ লক্ষ টাকা দিয়ে সহযোগীতা করে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাসের নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন ধনঞ্জয়ের স্ত্রী সাগরীকা মন্ডল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ রিয়াছাদ আলী, আইসিডির প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের ছাত্র আশিকুজ্জামান, ইউপি সদস্য হরেন্দ্রনাথ সরকার প্রমুখ।

টাকা গ্রহণ করার সময় এক প্রতিক্রিয়ায় ধনঞ্জয়ের স্ত্রী সাগরীকা মন্ডল বলেন, সহযোগীতার অর্থ দিয়ে একটি সঞ্চয়পত্র কিনে পরিবারের খরচ যোগাতে পারবো। তিনি এ ধরনের মহতী উদ্যোগ নেওয়ায় সংগঠনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য হরেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, নদীতে জাল টেনে ধনঞ্জয়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা পড়া শিখিয়েছে তার পরিবার। অনেক স্বপ্ন ছিল ধনঞ্জয় লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী করবেন। ইতিমধ্যে বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় পাশ করে ভাইবার অপেক্ষায় বসে ছিল ধনঞ্জয়। একটি পরিবারে সকল স্বপ্ন সব কেড়ে নেয় মহামারী ভাইরাস করোনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল অ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রিলিয়া ধনঞ্জয়কে যে সহযোগীতা করেছে সে জন্য তার পরিবারের পাশাপাশি এলাকাার সাধারন মানুষও বেজায় খুশি হয়েছে। আগামীতে এ ধরনের সহযোগীতা অব্যাহত রাখার জন্য সংগঠনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি