১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

কয়রায় প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার শোকাহত পরিবারের পাশে এমপি বাবু।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

কয়রায় প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম মোকবুল হাওলাদারের শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে মরহুমের বাড়িতে হাজির হন এবং তার কবর জিয়ারত করে আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন খুলনা-৬ (কয়রা- পাইকগাছা) আসনের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু ৷
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মরহুমের বড়পুত্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ মনিরুজ্জামান, কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম মহাসিন রেজা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কমলেশ কুমার সানা, উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহবায়ক আলহাজ্ব এ্যাডঃ শেখ মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কয়রা সদর ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী এস এস বাহারুল ইসলাম, কালনা আমিনিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ইউনুছ আলী, কয়রা ইউনিয়ন আঃলীগের সভাপতি এসএম জিয়াদ আলী, মহারাজপুর ইউনিয়ন আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান শিক্ষক এম এম খায়রুল আলম, আমাদী ইউনিয়ন সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ সানা, আঃলীগ নেতা শেখ গিয়াস উদ্দিন, মাস্টার শাহবাজ হোসেন, গোলাম রব্বানী সরদার, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন বাবু, যুবলীগ নেতা শামীম রেজা, কৃষকলীগ আহ্বায়ক প্রভাষক শাহবাজ আলী, বিএল কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও মানব কল্যাণ ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আল-আমিন ফরহাদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জিএম আকতারুল ইসলাম সৌরভ, যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন ও স্নেহেন্দু বিকাশ, জিএম বায়জিদ হোসেন, মাহফুজুর রহমান পলাশ, ছাত্রলীগ নেতা মফিজুল ইসলাম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ৷ উল্লেখ্য গত ১৯ আগস্ট রাত ৪:১০ মিনিটে মহারাজপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতা ও মহারাজপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি মোঃ মকবুল হাওলাদার (৮৫) স্ট্রোক জনিত কারণে দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে মৃত্যুবরণ করেন৷

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি