১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

কযরায় অবৈধ শুটকি মাছের ডিপাে উচ্ছেদ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা,খুলনা ঃ

সুন্দরবন সংলগ্ন কয়রা উপজেলার লােকালয়ে গড়ে উঠা অবৈধ ৫ টি শুটকি মাছের ডিপাে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

জানা গেছে, কয়রা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক অবৈধ শুটকি মাছের ডিপো রয়েছে। সেখানে শুকানো হয় সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী-খাল থেকে নিষিদ্ধ ভেষালী ও পাটা জাল সহ বিষ প্রয়োগ করে মারা চিংড়ি সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। সম্প্রতি ঐ সকল অবৈধ ডিপো ভেঙ্গে ফেলার জন্য উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বন বিভাগ এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়ে মাইকিং করলেও ডিপো মালিকেরা অবৈধ ডিপো ভেঙ্গে না নেওয়ায় উপজেলা আইনশৃংখলা কমিটির মাসিক সভার সিধান্ত অনুযায়ী এ সকল শুটকি মাছের ডিপাে উচ্ছেদ করা হয়।

৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় উপজেলার ফুলতলা বাজার, মহারাজপুর ও মাদারবাড়ীয়া এলাকার ৫টি অবৈধ শুটকি ডিপােতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেষ বিশ্বাস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ আবু সালেহ, কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আখতারুজ্জামান, নলিয়ান স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হােসেন, বানিয়াখালী স্টেশন কর্মকর্তা নির্মল কুমার মণ্ডল, কালাবগী স্টেশন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, কয়রা থানার এএসআই শাহাজান হোসেন, সিএমসির কাষাধ্যক্ষ মোঃ রিয়াছাদ আলী প্রমুুুখ।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি