২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ঐতিহ্যবাহী গান্ধাইল হাইস্কুল মাঠ দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে পরিত্যক্ত হবার উপক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রোকনুজ্জামান, কাজিপুর প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গান্ধাইল হাইস্কুল মাঠ উত্তর সিরাজগঞ্জের একটি সুপরিচিত খেলার মাঠ। আজ থেকে ২০/২৫ বছর আগেও বিভিন্ন ধরণের খেলায় দেশবরেণ্য খেলোয়াড়দের পদচারণায় মুখরিত ছিল এই সবুজ ঘাসের চত্বর। দূর-দূরান্ত থেকে আসা খেলাপাগল লোকের কলকাকলিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করত সেই ভোর থেকে । সেসব এখন শুধুই স্মৃতি। মাঠের তিনপাশ দিয়ে রাস্তা ও বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে মাঠ ছোট হয়ে গেছে অনেকটাই। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় একটু বৃষ্টিতেই মাঠ পরিণত হয় বিশাল জলাশয়ে। তাছাড়া মাঠের মধ্য দিয়ে তিনটি রাস্তা তিনদিক দিয়ে বাজারের ভিতরে যাওয়ায় মাঠের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির কয়েক মাস সবসময় মাঠ কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে থাকে । এই কাদার মধ্যে খেলতে গিয়ে অনেক খেলোয়ার গুরুতর আহত হয় বিভিন্ন সময়। ফলে ধীরে ধীরে সবার মধ্যে খেলার প্রতি আগ্রহ কমে যায় যার ফলশ্রুতিতে অবসর সময় এলাকার যুবকরা মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এলাকাবাসীর দাবী, অতি তাড়াতাড়ি খেলার মাঠটিতে মাটি ভরাট করে খেলার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা হোক।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি