২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে : রংপুরে টিপু মুনশি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

বাণিজ্যমন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি এমপি বলেছেন, দেশ, জাতি ও এলাকায় উন্নয়নের স্বার্থে নেতাকর্মীদের সব বিভেদ ভুলে সবাইকে এক্যবদ্ধ হয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। নৌকার বিপক্ষে দলীয় যে নেতাই বিদ্রোহী প্রার্থী হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে কাউনিয়ার সীমান্তের শেষপ্রান্তে নব্দিগঞ্জ এলাকায় মন্ত্রীর নিজেস্ব অপু মুনশি হিমাগার হলরুমে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীদের আগামী ২৮ নভেম্বর জয়ী করতে দলীয় প্রার্থী ও দলের নেতা-কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ আহবান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নৌকার বিজয় মানে দেশ, জাতি ও এলাকার উন্নয়ন। নৌকার বিজয় মানে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিজয়। দল কাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছে, তা আমাদের দেখার বা ভাবার দরকার নেই। নৌকার হয়ে আমরা কাজ করবো। দেশ ও এলাকায় উন্নয়নের স্বার্থে নেতাকর্মীদের সব বিভেদ ভুলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে দলীয় যে নেতাই বিদ্রোহী প্রার্থী হবে, সেসব নেতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক না। তারা এলাকার উন্নয়ন চায় না। তবে যারা এবার মনোনয়ন পান নাই। তাদেরকে দলের বিভিন্ন পদে মুল্যায়ন করা হবে। দলীয় মনোনয়ন পাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তৃণমুল নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চত করবে আর ভোটে জয় লাভের পর চেয়ারম্যানরা দলীয় নেতাকর্মীদের ভূলে যাবেন। তা যে না হয়।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশ আজ উন্নয়নের পথে। উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করতে একটি মহল চক্রন্ত করছে। অপশক্তি যেন কোনভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে স্বোচ্চার থাকতে হবে।

কাউনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম মায়ার সভাপতিত্বে ও সম্পাদক আব্দুল হান্নানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন, সহসভাপতি রোজি রহমান, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করীম রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালহা বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুল জলিল প্রমুখ। মতবিনিয়ম সভায় উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থীরা ও উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।