১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

এসো বই পড়ি,আলোকিত সমাজ গড়ি,!!মেহর আফরোজ চুমকি,এ ম পি,।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মো:মুক্তাদির হোসেন, গাজীপুর, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি।

 

এসো বই পড়ি, আলোকিত সমাজ গড়ি এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় পাঠাগার’ উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি।

 

 

বুধবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে পাঠাগার চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক এস. এম. তরিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিবলী সাদিক।

 

‘কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় পাঠাগার’ উদ্বোধন শুরুতে পাঠাগার চত্বরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মেহের আফরোজ চুমকি এমপি।

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস. এম. তরিকুল ইসলামের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সুবেদার আব্দুর রাজ্জাককে নিয়ে রচিত ‘চৌদ্দ নম্বর আসামি’ গ্রন্থটি অতিথিদের হাতে তুলে দেন জেলা প্রশাসক এস. এম. তরিকুল ইসলাম।

 

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন পলাশ, কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীনা আক্তার, কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র এস এম রবিন হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম অবুবকর চৌধুরী, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম –সাধারণ সম্পাদক এড: আশরাফী মেহেদী হাসান কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পরিমল চন্দ্র ঘোষ কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দুলাল, গাজীপুর জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ শফিকুল কাদের নান্নু, কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শরীফ হোসেন কনক, জুয়েনা আহমেদ, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আশরাফুজ্জামান, পৌর যুবলীগের সভাপতি ও ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ বাদল হোসেন প্রমূখ।

 

এছড়াও কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মী, কালীগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিবলী সাদিকের উদ্যোগে ও স্থানীয়দের অর্থায়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্বাবধানে নির্মিত ২১’শ বর্গফুট আয়তনের এক কক্ষবিশিষ্ট আধুনিক সুবিধা সম্বলিত পাঠাগারের মূল ভবন নির্মিত হয়েছে। পাঠাগারের সম্পূর্ণ নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা।

 

কালীগঞ্জ পুরাতন ব্যাংকের মোড় এলাকায় কালীগঞ্জ আর আর এন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ২.৫ বিঘা জমির চারদিকে ৮ ফুট উচ্চতার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে অত্যাধুনিক নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় পাঠাগার। নির্মিত কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় পাঠাগারের মূল ভবনের দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট ও প্রস্থ ৩৫ ফুট। ভেতরে বঙ্গবন্ধু কর্নার ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার নির্মাণ করা হয়েছে। বই রাখার জন্য পাঠাগারের দুই দেয়ালে অত্যাধুনিক তাক (সেলফ) নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও বই রাখার জন্য ছোট ছোট তাক বিশিষ্ট বৃত্তা আকৃতির (গোলাকার) অত্যাধুনিক চারটি টেবিল এবং বৃত্তা আকৃতির তিনটি পিলারে তাক নির্মাণ করা হয়েছে। বাহিরে খোলা জায়গায় নির্মাণ হবে “ময়েজউদ্দিন মুক্তমঞ্চ”। এছড়াও বই আকৃতির একটি ফলক ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।