১০ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

এই ‘স্বর্গের ফুল’কে আপনারা চিনেন ইউএনও জয়া মারিয়া পেরেরা   ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

নাহিদ হাসান নিয়ামতপুর নওগাঁ প্রতিনিধি ।

 

নওগাঁ নিয়ামতপুরের ইউএনও জয়া মারিয়া পেরেরা বলেন,এ ‘স্বর্গের ফুল’কে আপনারা চিনেন। তার নামও জানেন। রায়হানা জান্নাত রাইসা। ভালবেসে আপনারাই ওর অসংখ্য নাম দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই এ নামটি রেখেছিলাম। এই সে শিশু যে জন্মেছিল করোনার কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালে যখন তার চা বিক্রেতা পিতার একমাত্র আয়ের পথ চায়ের স্টলটি সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বন্ধ রাখতে হয়েছিল। সে দুঃসময়ে পরিবারটিকে সহযোগিতা করার সুযোগ পেয়েছিলাম। তবে শিশুটির মুখ দেখার সুযোগ পাইনি। আপনারাও অনেকে মেসেঞ্জারে লিখেছেন শিশুটিকে দেখতে চান। আজ শনিবার সকালে শিশুটির বাড়িতে গিয়ে শিশুটির মায়া ভরা মুখখানা দেখে মন জুড়িয়ে গেল। এ সময় যারা যারা উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোছাঃ নাদিরা বেগম, পরিবার পরিকল্পনা অফিসার জনাব সেলিম উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জনাব আরিফুজ্জামান সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। শিশু ও প্রসূতি মায়ের পরিচর্যার জন্য অফিসার্স ক্লাব, নিয়ামতপুর এর পক্ষ থেকে পরিবারটিকে আজ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। তার পিতার হাতে শিশুটির জন্ম নিবন্ধন সনদ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া। তাদের বাড়ির আঙিনায় রোপণ করা হয়েছে একটি অর্জুন ও একটি জলপাই গাছের চারা। এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিশুটিকে ভালবেসে নতুন জামাকাপড় উপহার দিয়েছেন। অফিসার্স ক্লাবের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বলেন যারা আমি বলা মাত্র উদার মনে শিশুটির জন্য অর্থ সহযোগিতা করেছেন। সকলের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে বেড়ে উঠুক রাইসা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি