১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

উলিপুরে সরকারী চাল বিক্রি,আটক-৩।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিশাদ রাজ নয়ন/উলিপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

 

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ফেয়ার প্রাইজের চাল কালো বাজারে বিক্রির সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তা আটক করে পুলিশে দিয়েছে।

 

এ সময় চাল পরিবহনের সাথে জড়িত ২ জন ভ্যান চালক ও একজন দোকান ম্যানেজারকে আটক করেছে পুলিশ।

 

আটককৃত ভ্যান চালকদের দেয়া তথ্যমতে জানাযায়, আজ সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২ টার দিকে উলিপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা গোলাম হোসেন মন্টুর জামাতা ফেয়ার প্রাইজ ডিলার পোবেল উলিপুর সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরবরাহ করা খোলা বাজারে বিক্রির জন্য ফেয়ার প্রাইজের ২০ বস্তা চাল মধ্যবাজারের মেসার্স কাশেম চালকল মালিকের দোকান ঘরে পৌছে দিতে বলেন। তার কথা মতো ভ্যানচালক দ্বয় উল্লেখীত পরিমাণ চাল নিয়ে মধ্যবাজারের ঐ দোকানে ঢুকানোর সময় জনতার সন্দেহ হয়।

 

এ সময় স্থানীয় লোকজন চাল আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ২০ বস্তা খোলা বাজারে বিক্রির চাল জব্দ তালিকা প্রস্তুত করেন এবং চাল পরিবহনের সাথে জড়িত ২ জন ভ্যান চালক ও দোকান ম্যানেজারকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।

 

আটককৃত ভ্যান চালকের নাম আব্দুস শহীদ ও আঃ কুদ্দুস। দোকান ম্যানেজারের নাম আনোয়ার হোসেন। আওয়ামী লীগ নেতার জামাতা পোবেল খাদ্যবিভাগের তালিকা ভুক্ত ফেয়ার প্রাইজ ডিলার বলে জানাগেছে। পোবেলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

 

এ রিপোর্ট লেখার সময় রাত সাড়ে ৭ টা পর্যন্ত আটককৃতদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ঠ সুত্র জানায়।

 

এ ব্যাপারে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির চাল আটকের কথা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি