১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

উখিয়ার জালিয়াপালংয়ের দক্ষিণ সোনাইছড়ি এলাকায় ৮ বছরের কোরআনের হাফেজ খুন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাজন বড়ুয়া সাজু:

 

উখিয়া উপজেলাধীন জালিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাইছড়ি এলাকার বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের ৮ বছর বয়সী এক কোরআন এর হাফেজ খুন হয়েছে।

গতকাল রাতে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানান যায়।

গতকাল রাত ৯টায় একই এলাকার মোঃ আলমগীরের ছেলে মোঃ রিফাত নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর এই খুন করেছে বলে জানায়। খুন হওয়া শিশুর নাম মোঃ আরাফাত (৮)। সে সোনাইছড়ি বায়তুশ শরফ জামে মসজিদে লেখাপড়া করত।

জানান যায়,অভিযুক্ত খুনী রিফাত কয়েকদিন আগে মোবাইলে ধারণকৃত তার মেয়ে বান্ধবীর সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় কিছু ভিডিও নিহত আরাফাত (৮) কে দেখালে তা নিহত আরাফাত সবাইকে বলে দিবে বলে বলায় তখন খুনি রিফাত ক্ষুদ্ধ হয়ে গতকাল রাত ৯টায় আরাফাত মসজিদ থেকে বের হলে তখন তাকে পিছন থেকে মুখ চেপে ধরে বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের পিছনে নিয়ে যায় এবং ওখানে ধারালো ছুরি দিয়ে নিহত আরাফাত কে গলায় ঢুকিয়ে দেয় এবং খুনি মোঃ রিফাত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।পরে আরাফাতের চিৎকারে কিছুক্ষণ পর তার সহপাঠী এবং পরিবার এগিয়ে আসলে আরাফাতে রক্তক্ষরণ অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। রাতে উখিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খুনি রিফাতের বাবাকে আটক করে পরে আবারো রাতে অভিযান চালিয়ে খুনি রিফাত কে আটক করে উখিয়া থানা পুলিশ।

 

এই ঘটনায় উক্ত এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।সন্তানের এমন মৃত্যুে যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেনা আরাফাত এর মা বাবা,তাদের কান্নার আহাজারি যেন থেমে নেই। উক্ত ঘটনায় মামলার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান নিহত আরাফাত এর মামা।এছাড়া খুনি রিফাতের ফাঁসি চেয়ে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান নিহত আরাফাতের মা-বাবা এবং গ্রামবাসী।

 

এই ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই ঘটনায় আমরা অবগত হয়েছি এবং খুনি মোঃ রিফাত এবং তার বাবা আলমগীর কে আটক করতে সক্ষম হয়েছি এছাড়া নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত মামলা করেনি।যদি মামলা হয় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি