১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

ঈদগড় সৃজন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সম্পন্ন ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবদুর রশিদ নাইক্ষ্যংছড়িঃ

 

কক্সবাজার রামু উপজেলার ইদগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সৃজন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সম্পন্ন করা হয়েছে।

৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে নয়টায় ইদগড় বাজারে বর্ণাঢ্য রেলী ও আকাশে বেলুন উড়িয়ে বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন-উদ্বোধক করেন ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টো।

ইদগড় এএমবি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আলোচনা সভায় ইদগড় সৃজন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এডমিম মোঃ ইউসুফের সভাপতিত্বে মাওলানা হাফেজ উল্লাহর কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন দক্ষিন পূর্ব এশিয়া উপমহাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রক্ত দাতা একইসাথে দেশের সর্বোচ্চ রক্ত দাতা (১৮২) বার, জাবেদ নাসিম।

তিনি বলেন ইসলামের দৃষ্টিতে স্বেচ্ছায় রক্তদানে অন্য মানুষের মূল্যবান জানপ্রাণ রক্ষা পায় এবং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত থাকে; তাই রক্তদানের ব্যাপারে ইসলামে কোনো বিধিনিষেধ নেই। অথচ দেশের হাজার হাজার মানুষ প্রতিবছর রক্তের অভাবে মৃত্যুবরণ করছে। রক্তদাতার এক ব্যাগ মূল্যবান রক্তদানের মাধ্যমেই মৃত্যুপথযাত্রী অন্য মানুষের জীবন বাঁচানো যেতে পারে। কেউ যদি স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন, তাহলে এতে একজন বিপদগ্রস্ত মানুষের বা মুমূর্ষু রোগীর জীবন যেমন বাঁচবে, তেমনি রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে গড়ে উঠবে রক্তের বন্ধন। স্বেচ্ছায় রক্ত দিলে শুধু অন্যের জীবন বাঁচানো নয়, বরং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৃজন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উপদেষ্টা ঈদগড় ৯ ওয়ার্ড সদস্য মোঃ শাহ্জাহান এমএ, সাংবাদিক কামাল শিশির, জাফর আলম জুয়েল, জহির উদ্দিন খন্দকার, শিল্পী নুরুল আলম কুতুবী, ঈদগড় মেডিকেল সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রুমেল, জিএম সাজোয়াল কামাল, সৌদি প্রবাসী নুরুল ইসলাম, সমাজ সেবক দিদারুল ইসলাম কাজল প্রমুখ। তাছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৮ টি সামাজিক সংগঠন বর্ষপূর্তিতে অংশ গ্রহণ করেন।এবং সকল সংগঠনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সৃজন পরিবারের ইব্রাহিম খলিল ও হামিদুল হক।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি