২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ইউপি নির্বাচনে মহিলা সদস্য পদে বক প্রতীক পেলেন মোছাঃ আফিয়া বেগম ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ জাকির হোসেন জুড়ী (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ।

৫নং জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড’র মহিলা মেম্বার পদে বক প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন, আফিয়া বেগম

 

তিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বক প্রতীকে মার্কায় ওয়ার্ডবাসী’র দোয়া, সহযোগিতা ও ভোট কামনা করেছেন।গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রেরিত বার্তায় মোছাঃ মোছাঃ আফিয়া বেগম বলেন, বক আমার নির্বাচনী প্রতীক। আমি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৭, ৮ ও ৯ নং সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার পদে আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্টিত নির্বাচনে বক প্রতীক নিয়ে লড়ছি।

 

উক্ত নির্বাচনে আমার নির্বাচনী মার্কা বক প্রতীকে ওয়ার্ডবাসী’র দোয়া, সহযোগীতা ও ভোট প্রার্থনা করছি।

তিনি ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড এর সকল জনসাধারণের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে আরেকটি বার সুযোগ চেয়েছেন। আশা করি আপনারা আমার সাথে থাকবেন। আমি আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ প্রত্যাশী।

 

তরুন সমাজ ও সর্বস্থরের জনসাধারণ কে আমি অনুরোধ করব আপনারা সবাই আমার সাথে থাকবেন এবং আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিবেন।

 

তিনি আরো বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড কে আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো। ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড এর সুনাম অতীতে যেমন ছিলো সেই সুনাম ভবিষ্যতেও ধরে রাখবো ইনশাআল্লাহ। ৫নং জায়ফরনগর সহ তথা সমস্ত বাংলাদেশে আমাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে।

 

মাদক,দুর্নীতি ও অপরাধ মুক্ত ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড গড়তে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমি মানুষে অধিকার নিয়ে কাজ করতে চাই। আমি জনগনের অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই৷ এবং জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।