২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ইউপি নির্বাচনে বাগেরহাটের ৫৯৯টি কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মো:আনিসুর রহমান, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

করোনাভাইরাসের কারণে দুই দফা পিছিয়ে ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বাগেরহাটের ৯টি উপজেলার ৭৫ ইউনিয়নের মধ্যে ৬৫টির নির্বাচন। এসব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত ৫৯৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। তবে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

 

এ ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রতিটি উপজেলায় তিন প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের তিনটি টহল টিম, চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলায় ২৫ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২২ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

 

২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে ৬৬টি ইউনিয়নের ৩৭টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া ২৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬২ জন, সাধারণ সদস্য ২ হাজার ২৫৫ জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৭৬৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী ফারাজি বেনজির আহমেদ বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। উপজেলায় চাহিদা অনুযায়ী ব্যালট পেপার, ভোটবাক্সসহ নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। সঠিক সময়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছে যাবে।

 

নির্বাচনে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি বিজিবি ও র‌্যাবের টহল টিম প্রতিটি উপজেলায় থাকবে বলে জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি