১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ইউপি নির্বাচনঃ প্রচারণায় ও গণসংযোগের একধাপ এগিয়ে নৌকা মার্কা-আদোমং মারমা। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

রাজস্থলী (রাঙামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙমাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলা ২৮ নভেম্বর আসন্ন ইউপি নির্বাচনের ৩য় ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৫ তারিখ বিকাল ৩ টায় নৌকা মার্কা মনোনীত আদোমং মারমা প্রচারণা ও গণসংযোগ সহ হেডম্যান পাড়া তে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভাতে সঞ্চলনায়ঃ মাসুম সর্দার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ফোরকান উদ্দিন সহ দলীয় অংগসংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ। উল্লেখ্য, রাজস্থলী উপজেলা শাখা আওয়ামীলীগের কার্য্যনিবাহী সদস্য পুলুক চৌধুরী বলেন,জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ও ২৯৯ নং রাঙামাটি আসনে জননেতা দীপংকর তালুকদার এমপি মনোনীত, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিত ও জনগণের সমর্থিত জনদরদী শিক্ষানুরাগী বাবু আদোমং মারমা কে নৌকা প্রতীক মনোনয়ন ও নির্বাচিত করেছে। সে একজন আওয়ামীলীগের নেতা এবং সমাজ সেবক সকলে সুপরিচিত নৌকা মার্কা পাওয়া যোগ্য সৎ যোগ্য উন্নয়নের রুপকার চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হিসেবে মন্তব্য করেন। এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নের ব্যক্তিগত নিজ উদ্যােগের খরচ অর্থ তহবিল কাজ করছে। ২৮ তারিখ শুভদিন নৌকা মার্কা ভোট দিন দীপংকর তালুকদার হাতকে শক্তিশালী গড়ে তোলুন। ৩নং বাঙালহালিয়া ইউনিয়নের ৩জন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নৌকা প্রতীক বাবু আদোমং মারমা, নৌকা বিদ্রোহী প্রার্থী ঞোমং মারমা, ইসলামের আন্দোলনের সর্মথিত আবদুল রশিদ আকন্দ হাত পাখা এরা । এসভা উপস্থিত, আওয়ামীলীগের উপজেলা শাখা সহ-সভাপতি পুলক বড়ুয়া, সহ-সভাপতি মংচিং চৌধুরী, কার্য্যকরী সদস্য পুলক চৌধুরী, জেলা সেচ্ছা সেবক লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সুইথুইমং মারমা, ছাত্রলীগের উপজেলা শাখা সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন, মোঃ মাসুম, ছোট মাসুম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক,হারাধন কর্মকার,সাধরণ সম্পাদক সুইচাপ্রু মারমাসহ অংগসংগঠনের নেতাকর্মীসহ পাড়া স্থানীয় জনসাধারণবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আদোমং মারমা বলেন, আমাকে নৌকা প্রতীক মনোনীতএবং মনোনয়ন প্রাপ্ত হিসেবে ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে লড়ব। নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বাসিন্দা জনপ্রিয় শীর্ষে নৌকা মার্কা বিকল্প নেই বললে চলে বর্তমান সরকার উন্নয়ন বিশ্বাসী শান্তি সমৃদ্বি সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়নের ধারাবাহিক কাজ করছে। কাকে ভোট দিলে দেশের জাতির উন্নয়ন ফিরে আসবে এটা সকলে চাই। এখানে কিছু বিদ্রোহী সর্মথিত কুচমহলরা আমার নামে নৌকা বিরুদ্বের অপ্রপ্রচার করে যাচ্ছে। যারা দলকে ভালোবাসেন বা নৌকা প্রতীককে ভালোবাসেন দীপংকর তালুকদার এমপি সহ জননেত্রী শেখহাসিনা হাতকে শক্তিশালী গড়ে তুলে নৌকা মার্কা একটি মূল্যবান ভোট দেয়ার জন্য সাধারন জনগনকে অনুরোধ করছি। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে একযোগে নৌকা প্রতীক নিয়ে কাজ করতে হবে। আমরা সুস্থ নিরেপক্ষ শান্তি শৃঙ্খলা পরিবেশ বজায় রেখে স্বর্তস্ফুট ভাবে সাধারণ ভোটাররা যাতে একটি মূল্যবান ভোট দিতে পারি। স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, আমার ভোট আমি দিব যোগ্য প্রার্থী কে যাচাই বাছাই করে মূল্যবান ভোটটি দিতে পারি,এতে সাধারন জনগনরা গনমাধ্যমকে জানান। ভোট দেয়া নাগরিকের অধিকার। শেষান্তে, সভাপতিত্ব সুইসাহলা চৌধুরী বলেন সকলকে নৌকা মার্কা ভোট দিয়ে আদোমং মারমা কে জয়যুক্ত করুন, আমাদের জামাই বাবুকে নির্বাচিত করে জনগণের সেবা করার সুযোগ দিন। এরপর বিভিন্ন পাড়ায় গ্রামে সরেজমিনে এলাকার দেখা যাচ্ছে নৌকা মার্কা আদোমং মারমা জনপ্রিয়তা শীর্ষ রয়েছে জানা যায় । ব্যক্তি হতে দল বড় দলের চেয়ে কোন ব্যক্তি বড় হতে পারেনা বলে উল্লেখ করা হয়।জেনে শুনে বুঝে দেখে মূল্য বান একটি ভোট দিন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।