১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

ইউনিয়নভিত্তিক মতবিনিময় করছে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নাগরপুর( টাংগাইল) প্রতিনিধিঃ

টাংগাইলের নাগরপুরে তৃনমুল নেতাকর্মীদের সাথে ইউনিয়নভিত্তিক মতবিনিময় সভা করছে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।

 

বৃহস্পতিবার(২ সেপ্টেম্বর), উপজেলার দপ্তিয়র, ভাদ্রা ও ধুবড়িয়া ইউনিয়নে তৃনমুল নেতৃবৃন্দের সাথে এ মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এর আগে গত বুধবার পাকুটিয়া,মোকনা ও মামুদনগর ইউনিয়ন সফর করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ বিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি বাবর আল মামুন বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ও দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে মাননীয় সাংসদ আহসানুল ইসলাম টিটুর নির্দেশনায় দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে বিভিন্ন সমস্যা, ও উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।উপজেলার সকল ইউনিয়নেই এ মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হবে।

 

এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান জাহিদ, শাহীদুল খান অপু,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক উজ্জল হোসেন মোল্লা,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বাবর আল মামুন, সাধারন সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিম হোসেন রতন, সাধারন সম্পাদক মোঃ সজিব মিয়া সহ ছাত্রলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি