২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

আবারো বেড়েছে তিস্তার পানি ; প্লাবিত কয়েক হাজার পরিবার ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাধন রায়, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাটে আবারো বেড়েছে তিস্তার পানি। প্লাবিত হয়েছে নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলসহ অন্তত ৩০টি গ্রাম।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় হাতীবান্ধার দোয়ানী ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি রেকর্ড করা হয় ৫২.৯০ সে.মি। যা বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার বেশি।

পানি বৃদ্ধির কারণে পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার সানিয়াজান, সিন্দুর্না, সিংগীমারী, গড্ডিমারী, পাটিকাপাড়া; কালীগঞ্জের ভোটমারী, শোলমারী, কৈমারী, কালিকাপুর; আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, চন্ডিমারী কুটিরপাড়, বাহাদুর পাড়া; সদর উপজেলার কালমাটি, রাজপুর, খুনিয়াগাছ, গোকুন্ডাসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

পানি বন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৩০টি গ্রামের মানুষ।  ঘরবাড়ি, ফসলের ক্ষেতপানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিতে ভেসে গেছে মাছের খামারও। চরম বিপাকে পড়েছেন মানুষজন।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ৫৫সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সময়ের সাথে এটি আরো বাড়তে পারে। বর্তমানে ব্যারেজের সবকটি গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি