১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

আনোয়ারা রাতের আঁধারে ইউনিয়ন পরিষদে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেখ আবদুল্লাহ আনোয়ারা(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি ।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা ৫নং বরুমছড়া ইউনিয়ন পরিষদের দুর্বৃত্তদের আগুনে কম্পিউটার, ফটোকপি মেশিন ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে গেছে। ২৪শে সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) আনুমানিক রাত ৩থেকে সাড়ে ৩টার সময় বরুমছড়া অস্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে চেয়ারম্যান আনোয়ারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে। এব্যাপারে ৫নং বরুমছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন চৌধূরী জানান, দুর্বৃত্তদের আগুনে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইউপি সচিবের কক্ষ পুড়ে ১টি ফটোকপি, ১টি প্রিন্টার, ২টি ল্যাপটপ, ১টি ডিজিটাল ক্যামরা, ২টি সোলার প্যানেল, জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, ট্রেড লাইসেন্স রেজিস্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট চেয়ার, টেবিল, ফ্যান পুড়ে যায়।এব্যাপারে তিনি আনোয়ারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন বলে জানান। এব্যাপারে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ জানান, আগুনের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আনুমানিক তিন লক্ষ টাকার মতো মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আগুনের সূত্রপাত জানাযাবে। এব্যাপারে আনোয়ারা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং চেয়ারম্যান একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে তদন্ত করে দোষীদেরকে বের করে আনা হবে বলে। অগ্নিকার্ন্ডের ঘটনা শুনে পরিদর্শনে গিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জুবায়ের আহমেদ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি