১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

আনোয়ারায় শিক্ষার্থী বরণে প্রস্তুত স্কুল-কলেজ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেখ আবদুল্লাহ আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

 

করোনার কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি শেষে রোববার আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

আনোয়ারা উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি সব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে সর্বশেষ প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

স্কুল প্রাঙ্গণে পা রাখতেই বোঝা গেল কর্মব্যস্ত সবাই। কেউ বেঞ্চ-টেবিল পরিষ্কার করছেন, কেউ এগুলোতে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছেন, কেউ আবার স্কুল প্রাঙ্গণে টাঙিয়ে দিচ্ছেন সচেতনতামূলক বিভিন্ন ব্যানার।

গত শুক্রবার (১০-সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ।

এই সময় উপস্থিত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌস হোসেন,উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ বেলাল হোসেন, বিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে.এম.সরোয়ার হোসাইন।

পরিদর্শন শেষে প্রস্তুতি বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ বলেন,প্রতিষ্ঠান খোলার সরকারি নির্দেশনা পেয়ে খুব দ্রুত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্লাস করার উপযুক্ত করা হয়েছে।

পরিদর্শনের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, আমরা আজ বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছি । প্রস্তুতি সন্তোষ জনক ছিলো । তবে কয়েকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিচের তলায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ছিলোনা ওইটা ও কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা করা হবে ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি