১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

আনোয়ারায় গণটিকার ২য় ডোজ সম্পন্ন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেখ আবদুল্লাহ আনোয়ারা প্রতিনিধি ।

 

সারা দেশের মত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায়ও গণটিকার কার্যক্রমের ২য় ডোজ প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭-সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদে এ গণটিকা কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমেদ।

উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের অস্থায়ী ক্যাম্পে গণটিকার ২য় ডোজ কার্যক্রম পরিদর্শনে আসেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি।

 

দুপুর দুইটা নাগাদ আনুষ্টানিকভাবে পরিদর্শনে যান উপজেলা ৭নং সদর ইউনিয়ন পরিষদে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসীম কুমার দেব, উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ও পরিষদের সদস্যরা ।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত (৭ আগস্ট) যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন শুধু তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে দ্বিতীয় ডোজ। প্রতিটি ইউনিয়নে তিনটি বুথে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রথম ডোজ নেওয়া সর্বমোট ৬হাজার ৬০০জনকে টিকা প্রধান নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরে উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে টিকা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে টিকা কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সিভিল সার্জন ।

 

উদ্ভোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমেদ বলেন, ৭ আগষ্ট উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের যে ৬হাজার ৬শ জনকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। এবারও তাদেরকেই দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি