২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

আনোয়ারায় আমন রোপণে ব্যস্ত কৃষক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেখ আবদুল্লাহআনোয়ারা(চট্রগ্রাম ) প্রতিনিধি।

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা মহামারি করোনাকে উপেক্ষা করে আমন রোপনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অঞ্চলের চাষিরা। যেনো দম ফেলার সময় নেই এলাকার চাষি ও কৃষিশ্রমিকদের মাঝে। করোনা নিয়ে কোনো ধরনের ভ্রুক্ষেপ নেই কৃষিশ্রমিকদের। চাষিরা চায় যেভাবেই হোক রোপা আমন জমিতে আবাদ করতে হবে। তাই করোনা নিয়ে মাথায় তেমন কোন চিন্তাভাবনা নেই তাদের।

 

শনিবার সকালে সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, আমন ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কখনো বৃষ্টি, কখনো রোদ এসব মাথায় নিয়ে কৃষকরা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছে। একদিকে পাওয়ার টিলার দিয়ে জমিতে প্রস্তুত করছে। আর সেই জমিতে মইদিয়ে উচুনিচু সমান করে আমন ধান রোপন করছেন কৃষিশ্রমিকরা। দেখে মনে হচ্ছে উৎসাবের এক আমেজ বাইছে তাদের মধ্যে।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, করোনায় শ্রমিক সংকট ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে আউশ রোপণ না করা কৃষকরা আমন রোপণ করছে। চলতি মৌসুমে ৭ হাজার ২৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি অফিস। এরই মধ্যে প্রায় এলাকায় ৭০ ভাগ রোপা আমনের চারা রোপন শেষ হয়েছে।এবার আগাম জাতের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষি অফিস চলতি মৌসুমে দেশীয় জাতের পরিবর্তে কৃষি অধিদপ্তর থেকে উচ্চ ফলনশীল বিনা-১১, ১৬, ১৭, ২০, ২২, ২৩, বি.আর-২২, ২৩, রিধান৭৫, ব্রিধান ৪৯, ব্রিধান ৮৮, ব্রিধান ৩২, ব্রিধান ৮৭, ব্রিধান ৫১, ব্রিধান ২৩, ব্রিধান ৩৯, ব্রিধান ৩০, ব্রিধান ৫২, ব্রিধান ৪৪, ব্রিধান ৩৪, সহ হাইব্রিড ধানী গোল্ড ও কেয়া জাতের ধানের বীজ এনে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

 

চাতরী গ্রামের কৃষক আব্দুল রশিদ বলেন, আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ভালো থাকলে রোপা আমনে ফসল ভাল হয়। করোনা আর কারণে শ্রমিক সংকট ও কৃষি উপকরণের দাম বেশি। তাই লাভের আশা নিয়ে শঙ্কায় আছি।’

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেছেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যাতে দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণ হয় সে লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ৭০ ভাগ জমিতে চারা রোপন শেষ হয়েছে। এক দুই সপ্তাহের মধ্যে আমান জমিতে চারা রোপন শেষ হবে বলে জানান তিনি। মাঠ কর্তকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরার্মশ ও সহযোগিতা প্রদান করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি