১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

আদিতমারী নির্বাচনী সহিংসতায় আহতদের চাপ : স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ওয়ার্ড চালু।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৭২জন আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। অব্যাহতভাবে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আরেকটি ওয়ার্ড চালু করেছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তৌফিক আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, গত বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) নির্বাচনের দিন সন্ধ্যা থেকে গতকাল শনিবার (১৩ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সহিংসতায় আহত ৭২জন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে গতকাল শনিবার (১৩ নভেম্বর) ১২টার দিকে ২৪জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। নির্বাচনী সহিংসতায় গুরুত্বর আহত আরও কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল এবং ৭জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ডাঃ তৌফিক আহমেদ সাংবাদিকদের আরও জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০শয্যা বিশিষ্ট হওয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় আহত রোগীর চাপ সামলাতে গত শুক্রবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন করে একটি ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা সন্দেহভাজন কোনো রোগী না থাকায় নির্বাচনী সহিংসতায় আহত রোগীদের ওই ওয়ার্ডে রেখেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী সহিংসতায় আহত রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন।

আদিতমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুরে দেখা গেছে, চিকিৎসারত রোগীদের অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ইউপি সদস্যদের সমর্থক। এ সময় কথা হয় ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে জয়ী প্রার্থীর সমর্থক মনিরুজ্জামানের সঙ্গে। তিনি বলেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থীর সমর্থকরা জয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের পিটিয়ে আহত করেছে।

মহিষখোচা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডেও গত শুক্রবার সকালে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের আহত ৮জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তারাও গত বৃহম্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ইউপি সদস্যদের সমর্থক।

আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোক্তারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৬টি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিটি ঘটনার অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া সহিংসতা রোধে অতিরিক্ত ৫টি মোবাইল টিম মাঠে কাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক