১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসত বাড়ীর জমি দখলের চেষ্টা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্বপন মাহমুদ,সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি:

 

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী মাদারগঞ্জের বীর লোটাবর এলাকায় আদালতের দেওয়া (১৪৪ ধারা) নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক বসত ভিটার জমি দখলের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এদিকে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ আদালতের মাধ্যমে বাদী-বিবাদী দু’পক্ষকেই নোর্টিশ দিয়েছে। পরে কাগজপত্র নিয়ে আদালতে পেশ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু একপক্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জোরপূর্বক ঘরবাড়ি ভেঙ্গে জমি দখলের চেষ্টা করছেন।

 

মামলা সূত্র জানায়, উপজেলার মাদারগঞ্জের বীর লোটাবর গ্রামের ভাটিয়ান মৌজার বিআরএস-৯৭৪ খতিয়ান নম্বরের বিআরএস- ৫২১ দাগ নম্বরের-১৮ শতাংশ জমির ৯শতাংশের কাতে ০৪.৫ শতাংশ জমি পৈতিক সূত্রে ভোগদখল করছেন মৃত অদ্দিনের শেখের ছেলে সহিদ মিয়া। সম্প্রতি ওই জমি বিভিন্ন কৌশলে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন একই গ্রামের মৃত বদ্দিন শেখের ছেলে ভোলা মিয়া, রইচ উদ্দিন, রিপন মিয়া, সোহেল মিয়া, শিপন মিয়া ও মাজম আলী।

 

ভুক্তভোগী মো. সহিদ মিয়া (৪০) অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নির্দেশে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ উভয় পক্ষকে নোর্টিশ দিয়েছে কাগজপত্র নিয়ে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য। কিন্তু তারা সেটা না করে আমার নকশার নিয়ম বর্হিভুতভাবে স্থানীয় লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক আমার জমিতে ঘর বাড়ী ভেঙ্গে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন।

 

জমি দখলকারী মৃত বদ্দীন শেখের ছেলেরা বলেন, এই জমিটির সহিদের বোনের কাছ থেকে আমরা ক্রয় করেছি। সেই জমি আমরা দখল করেছি। সহিদের কোন জমি আমরা দখল করার চেষ্টা করিনি। আমাদের চলাচলের রাস্তা নেই। বাড়ি থেকে বাহিরে যাওয়ার জন্য এই জায়গাটা আমরা ক্রয় করেছি।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিলন মিয়া জানান, সহিদ এবং ভোলাদের জমি নিয়ে আমরা বার বার শালিশ বৈঠক করেও কোন সুরাহা দিতে পারি নাই। যেহেতু বিষযটি নিয়ে আদালতে মামলা মোকাদ্দমা হয়েছে সেহেতু বিষযটি আদালতই সুরাহা দিবে। বিবাদী পক্ষদের ঐ জমিতে যাওয়া বৈধ নয়। আদালতে মামলা থাকা সত্বেও দু’পক্ষ মাদারগঞ্জ থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানা গেছে।

 

এ ব্যাপারে শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ এস আই রুবেল মিয়া জানান, আদালতের নির্দেশে উভয়পক্ষকে নোর্টিশ দেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষের কাগজপত্র নিয়ে ধার্য্য তারিখে আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি