১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

আজ ভারতের সরকার দেশ থেকে কৃষক আইন প্রত্যাহার করে নিল। ঐতিহাসিক জয় বললেন শ্রী রাহুল গান্ধী।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কোলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম।

ভারতের সরকার দেশ থেকে কৃষক আইন প্রত্যাহার করে নিল। ঐতিহাসিক জয় বললেন শ্রী রাহুল গান্ধী।।

২০২০,, সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার কৃষক বিরোধী বিল পাশ করেন ভারতের লোকসভায় এবং রাজ্যসভায়। উভয় কক্ষের সদস্য বিজেপি ও সহযোগী দলের বেশি থাকার কারণে এই কৃষক বিরোধী বিল পাস করতে বেগ পেতে হয়নি। কিন্তু এই কৃষক বিরোধী বিল পাস বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের কৃষক ও শ্রমিকরা। এবং ভারতের দিল্লির উপকন্ঠে অবস্থিত পাঞ্জাব ও হরিয়ানা এবং রাজস্থান ও ছত্তিসগড় এবং উত্তর প্রদেশের কৃষকরা ট্রাক ও কৃষক সরমজাম নিয়ে দিল্লির জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন। এবং তারা তাদের আন্দোলন কে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ছড়িয়ে দেন। লক্ষ লক্ষ কৃষক হাজির হন দিল্লির কাছে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ভারতের রাজধানী দিল্লি। এই কৃষক বিরোধী বিলের বিরুদ্ধে সবর হোন ভারতের বিরোধী দল ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। তাদের নেতা শ্রী রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং ভারতের লোকসভার বিরোধী দলের নেতা শ্রী অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে গণআন্দোলন তৈরি করে। তারা ভারত সরকারের কাছে আবেদন করতে থাকেন অবিলম্বে ভারত থেকে কৃষক বিরোধী বিল প্রত্যাহার করতে হবে। ভারতের কৃষক নেতা শ্রী রাজেশ টিকিয়াত বামফ্রন্টের কৃষক নেতা জনাব আব্দুল হান্নান মোল্লা সহ ভারতের বিজেপি বিরোধী সব দল এই কৃষক বিরোধী বিল পাস প্রত্যাহার করার ডাক দেন। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কে কৃষকদের সাথে বসে তাদের দাবি দাবা বিবেচনা করে কৃষক বিরোধী বিল প্রত্যাহার করার জন্য বলেন। আজ সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুরু নানক জন্ম দিনে ভারত থেকে কৃষক বিরোধী বিল পাস প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা কে ঐতিহাসিক জয় বলে দাবি করেন ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের নেতা শ্রী রাহুল গান্ধী ও ভারতের লোকসভার বিরোধী দলের নেতা শ্রী অধীর চৌধুরী। এবং এই ঘোষণা কে নৈতিক জয় বলে দাবি করেন তৃনমূল দলের লোকসভার সদস্য শ্রী সৌগত রায় ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শ্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী উদ্ভব ঠাকুর ও এন সি পি নেতা শ্রী শারদ পাওয়ার এবং এস পি নেতা শ্রী অখিলেশ যাদব। এবং বি এস পি নেত্রী শ্রীমতী মায়াবতী আর জে ডি নেতা শ্রী তেজষী যাদব সব বিভিন্ন রাজ্যের রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক