১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

আজ কলকাতা হাইকোর্টের পাচজন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ করল ভারতের সর্বোচ্চ সুপ্রিম কোর্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রিপরিষদের সুপারিশ মেনে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের কলোজিয়াম এর নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের পাচজন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ করলেন। যাদের কে এই নিয়োগ দেয়া হয় তারা হলেন বিচারপতি শ্রী রবীন্দ্রনাথ সামন্ত ও বিচারপতি শ্রী সুগত মজুমদার এবং বিচারপতি শ্রী বিভাস পাট্টানায়েক ও বিচারপতি শ্রী আনন্দ কুমার মুখোপাধ্যায় এবং শ্রী ভুটিয়া। এদের কে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে বহু কেস পড়ে আছে। সেই অনুযায়ী কমসংখ্যক হাইকোর্টের বিচারপতি নিয়ে কাজ করছেন কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে শ্রী কৌশিক চন্দ্র কে স্হায়ী বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়। তার পর আজ ভারতের কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের কলোজিয়াম এর কাছে এই পাচজন অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত করার জন্য বলা হয়। সেই নির্দেশ কে গ্রহণ করে এদের কে নিয়োগ দেন সুপ্রিম কোর্ট। এর মধ্যে বিচারপতি শ্রী সুগত মজুমদার ও বিভাস পাট্টানায়েক কে দুই বছর জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। এবং বিচারপতি শ্রী ভুটিয়া কে নয় মাসের জন্য এবং বিচারপতি আনন্দ কুমার মুখোপাধ্যায় কে এক বৎসরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। এবং বিচারপতি শ্রী রবীন্দ্রনাথ সামন্ত কে, ২২,মাসের, জন্য বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত করেন। উল্লেখ্য এর মধ্যে নবনিযুক্ত বিচারপতি শ্রী রবীন্দ্রনাথ সামন্ত এর আগে পশ্চিম বাংলার রাজ্যে মানবাধিকার কমিশনের রেজিস্ট্রেশন জেনারেল ছিলেন। এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বারুইপুর জেলা আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারপতি ছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের বিচারক ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা আদালতের প্রধান বিচারপতি হিসাবে কাজ করেন। এবং পরবর্তীতে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ইনেসপেকসন, ১ও২, তে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এবং বিচারপতি শ্রী রবীন্দ্রনাথ সামন্তের লেখা উল্লেখযোগ্য মহিলাদের উপর আইন ও আদালত আইনের বই ভারত ও বাংলাদেশের কাছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। ঔ বই থেকে বহু কোড নিয়ে আজও বাংলাদেশের হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়। আজকের এই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিয়োগ এর ফলে হাইকোর্টের উপর থেকে কিছুটা চাপ কমাতে পারে বলে মনে করছেন আইনজীবী মহল।।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি