১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

আজ কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভায় মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

পশ্চিম বাংলার তৃনমূল দলের সুপ্রিমো এবং পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন ফাকা হয়ে যাওয়া ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তার মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন তৃনমূল দলের হয়ে। তিনি গত বিধান সভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয় তার দলের নেতা ও সাবেক পশ্চিম বাংলার বিদুৎ মন্ত্রী শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি জয়ী হয়ে বিধান সভায় যাবার সময় দেখেন তার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিম বাংলার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম বিধান সভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়। তিনি তার নেত্রী কে বিধান সভার সদস্য করার জন্য তিনি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। যার ফলে উপনির্বাচন অনিবার্য হয়ে পড়ে। এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গেলে পশ্চিম বাংলার যে কোন বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে। নতুবা তাঁর ছয়মাসের বেশি পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তাই আজ আগামী নির্বাচনে, ২৯,শে, অক্টোবর মাসে তাকে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে। আজ তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন। তার সাথে ছিলেন পশ্চিম বাংলার তৃনমূল দলের নেতা ও মন্ত্রীরা। তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে বের হয়ে জনগণের উদ্দেশ্যে করে আর্শিবাদ চান। এবং পায়ে হেঁটে তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে হাত নাড়াতে থাকেন। তবে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র উপনির্বাচন কে কেন্দ্র করে কলকাতা হাইকোর্টে রিট আবেদন জমা পড়েছে নির্বাচন স্থাপিত করার জন্য। তার শুনানি শুরু হবে আগামী সোমবার। এবং ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস কোন প্রার্থী দেবে না। এখানে সি পি আই এম ও বিজেপি প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছেন। তবে তাদের প্রার্থী কে হবে এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মনোনয়ন পত্র জমা দেবার শেষ দিন, আগামী, ১৬, ই, অক্টোবর।।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি