১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবিরের পরিবারে পাশে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মোজাম্মেল হোসেন বাবু , রাজশাহী ।

 

কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া থানার হারবাং ইউনিয়নের হুমায়ুন কবির কক্সবাজার চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মুসলিম পাড়ায় স্ত্রী এক ছেলে ও চার মেয়ে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি ৮৩ বৎসরের এক বয়োবৃদ্ধ অসহায় মুক্তিযোদ্ধা।

 

তৎকালীন জমিদার বংশের ছেলে কক্সবাজারের হুমায়ুন কবির মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে হারিয়েছেন সর্ব্বোচ্ছ সহ্য করেছেন অকথ্য নির্যাতন এর পরেও জায়গা মেলেনি মুক্তিযুদ্ধের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির

 

মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে হারিয়েছেন সবকিছু ।হুমায়ুন কবিরের বংশধররা ছিলেন তৎকালীন হিন্দু জমিদার ।তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক।বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জেবিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে।

 

দেশকে লাল সবুজের পতাকা উপহার এনে দিয়ে বিশ্বমানচিত্রে যোগ করেছেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ । দেশের মানুষকে দিয়েছেন স্বাধীনতা, সুখ, সম্মৃদ্ধি কিন্তু নিজে হয়েছেন সকল কিছু থেকে বঞ্চিত । স্বাধীনতার পর তাদের সকল সম্পত্তি দখল করে নিয়েছিল তার উপর চলেছিল অকথ্য নির্যাতন । সবকিছু হারিয়ে জীবনের শেষ বয়সে এসে অভাব অন্টনের মধ্য দিয়ে কোন মত চলছে তার জীবন সংসার ।ঠাই মেলেনি মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ।জামুকা গেজেটে তার নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে ঠায় পায়নি ।কারন মুক্তিযোদ্ধা তৈরির কারিগর দের মন তিনি ভরাতে পারেননি ।

 

অথচ ২০১৭ সালে ক তালিকায় তার নাম এক নম্বরে ছিল ।মুক্তিযোদ্ধাদের দু:খ কষ্টতো মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের ছাড়া আর কে বেশী বুজিতে পারে ! সুবিধা বঞ্চিত কোন মুক্তিযোদ্ধা যখনই কোন সমস্যায় পড়েছে তখনই বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ডের সকল নের্তৃবৃন্ধ শতমাইল দুরে গিয়ে হলেও তাদের বিভিন্ন সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন ।

 

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ নভেম্বর ২০২১ ইং রোজ রবিবার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবলা এর নিদেশনায় মহাসচিব সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান নাসির উদ্দিন তার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে নিযে হুমায়ুন কবিরের অসহায় পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ।সেই সাথে দেশের সকল সহৃদয়বান ব্যক্তিদের সকল অসহায় ব্যক্তিদের পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার গড়ার আহবান জানান ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক