২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি থানায় অভিযোগ দায়ের । 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাহাদাত শিকদার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।

 

বিদ্যুৎ চুরির জন্য কোনো যন্ত্র বা ডিভাইস ব্যবহার করলে তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান আছে এ অপরাধ অজামিনযোগ্য।

 

আইনে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চুরি, অপসারণ বা বিনষ্ট করলে দুই থেকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান আছে এটিও অজামিনযোগ্য অপরাধ।

 

এ ছাড়া বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতা করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে এটিও অজামিনযোগ্য অপরাধ।

 

আইনের আরেকটি অজামিনযোগ্য ধারায় বলা হয়েছে, বিদ্যুতের মিটার, পূর্তকাজে বাধা দেওয়া এবং বিদ্যুতের অননুমোদিত ব্যবহারের অপরাধে ওই ব্যক্তি তিন বছর কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

 

এ-র পরেই গাজীপুর গাজীপুর সিটি কর্পোরেশ এর ১৯ নং ওয়ার্ড দেশিপাড়া রোড এলাকার ঘর জামাই ইমন নামে পরিচিত মোঃ ইমন মিয়া ( উরফে ঘর জামাই ইমন ৪০ ) পিতা অজ্ঞাত তার বাড়ির উত্তর পাশে থাকা পল্লী বিদ্যুত এ-র মেইন সংযোগ থেকে দীর্ঘদিন ধরে সরকারী পল্লী বিদ্যুত এ-র অবৈধ ব্যবহার করে আসছে হুক লাইন এ-র মাধ্যমে।

 

তার এ-ই অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার এ-র তথ্য আসে সাপ্তাহিক অপরাধ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আজু আহাম্মেদ এ-র হাতে রাজু আহাম্মেদ এ-ই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদ প্রকাশ করে।

 

মোঃ রাজু আহাম্মেদ ঘর জামাই ইমন মিয়ার অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার এ-র সংবাদ প্রকাশ করায় গতকাল ০৩-০৯-২০২১ ইংভ রোজ শুক্রবার বিকেলে ঘর জামাই সাংবাদিক মোঃ রাজু আহাম্মেদ এ-র ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭******৮৫ নম্বরে ঘর জামাই ইমন ০১৯১****৬৭১ থেকে ফোন করে সাংবাদিক মোঃ রাজু আহাম্মেদ কে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং সাংবাদিক মোঃ রাজু আহাম্মেদ কে ঘর জামাই ইমন ও তার স্ত্রীর ভাই কবিরের গুন্ডা বাহিনী দিয়ে তুলে এনে সাংবাদিক মোঃ রাজু আহাম্মেদ কে হত্যা করে ঘুম করে ফেলার হুমকি দেয়।

 

 

এ-ই বিষয়ে সাংবাদিক মোঃ রাজু আহাম্মেদ গাজীপুর সদর থানা ( গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের) কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে যার অভিযোগ নাম্বার ২১৮।

 

এ-ই অভিযোগের বিষয় দায়িত্বে থাকা এস আই ইমতিয়াজ এ-র কাছে জানতে চাইলে ইমতিয়াজ বলেন অভিযোগের কপি আমার হাতে এসেছে আমি সাংবাদিক মোঃ রাজু আহাম্মেদ এ-র সাথে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করেছি। সাংবাদিকরা এ-ই দেশের জন্য কাজ করে সাংবাদিকদের সাথে আমি কখনো মেনে নিবো না। সাংবাদিক মোঃ রাজু আহাম্মেদ এ-র কাছে থাকা কল রেকর্ড আমি শুনেছি অপরাধী যতই ক্ষমতাধর হয়ে থাকুক তাকে আইনের আওতায় আনা আমার কর্তব্য ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি