১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

অপুষ্টিকর গাছ যেমন বাল্যবিয়ের কুফল তেমন-নাটোর জেলা প্রশাসক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সোহাগ আরেফিন ( নাটোর প্রতিনিধি) ।

 

নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহম্মেদ বলেছেন, অপুষ্টিকর গাছ যেমন বাল্যবিয়ের কুফল তেমন। ছোট অপুষ্টিকর গাছে ফল ধরলে গাছ ও ফল দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তেমনি আঠারোর নিচে মেয়েদের বিয়ে দিলে তাড়াতাড়ি মা হয় । তখন মা ও শিশু অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগে। আবার অল্পবয়সে স্বামী,ননদ, ভাসুর,শশুর,শাশুরীদের মানিয়ে চলতে কষ্ট হয়। এতে পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। বাপের বাড়ি এসে সেই মেয়ে আর স্বামীর বাড়ি যেতে চায় না। তাই আঠারোর নিচে বিয়ে নয়, কুড়িতে বুড়ি নয় বলে উপজেলার শিধুলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাল্যবিবাহ বিরোধী উঠান বৈঠক প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান অতিথি নাটোর জেলা প্রশাসক। অনুষ্ঠানে এলাকার দুইশতাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার বিকেল ৪টায় শিধুলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মো. তমাল হোসেন। এসময় বাল্যবিয়ে বিরোধী বক্তব্য রাখেন ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন , মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু রাসেল, ব্যানবেইজ কর্মকর্তা জহির আব্বাস ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।

এর আগে জেলা প্রশাসক শিধুলী মাঠে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন ক্যাম্পের উদ্বোধন করে মা ও শিশুদের মাঝে ফ্রিতে তোয়ালে ও জন্মসনদ বিতরণ করেন। এরপর এলাকার ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়ারদের উজ্জীবিত করতে শিধুলী,বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা ও খুবজীপুর মাঠে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরন করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি